Wednesday, February 1, 2023
মূলপাতাঅন্যান্যনেত্রকোনায় ঘর পাচ্ছেন ১০৩০ গৃহহীন

নেত্রকোনায় ঘর পাচ্ছেন ১০৩০ গৃহহীন

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশ্রয়ন প্রকল্প ২ এর আওতায় ‘মুজিব বর্ষে বাংলাদেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না’ কর্মসূচী বাস্তবায়নে সারাদেশের ন্যায় নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনও কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নেত্রকোনায় ১০ উপজেলার মোট ১০৩০ টি ভূমি ও গৃহহীন দরিদ্র পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। ৯৬০ জন পরিবার পাচ্ছে বরাদ্দকৃত এসকল ঘর।

এছাড়াও আরো ৭০ জনকে রতœপর আশ্রয়ন প্রকল্পের ১৪ টি ব্যারাকে আশ্রয়ন করে দিচ্ছে। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার স্বরূপ এসব ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এসব ঘর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আগামী ২৩ জানুয়ারী হস্তান্তর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারী) নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বেলা ১২ টায় এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে এই প্রকল্প নিয়ে জেলার অগ্রগতিসহ কার্যক্রম জানানো হবে। নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, এক একটি গ্রহ ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা ব্যায়ে নির্মান করে দেয়া হচ্ছে জেলার ১০ উপজেলায় মোট ৯৬০ টি। এছাড়াও প্রতি পাঁচজন করে মোট ১৪ টি ব্যারাকে আরো ৭০ জনকে  আশ্রয়ন প্রকল্পে গৃহায়ণ করা হচ্ছে।

নেত্রকোনা জেলায় ৯৬০ টির মধ্যে জেলা সদরে ৪৩টি, কেন্দুয়ায় ৫০ টি, দূর্গাপুর ৩৫টি, পূর্বধলা ৫৩ টি, কলমাকন্দা ১০১ টি, মোহনগঞ্জ ৩৬ টি, অটপাড়া ৯৮ টি, মদনে ৫৬ টি বারহাট্টা ৪৫ টি ও খালিয়াজুরী উপজেলাতে ৪৪৩ টি গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি ঘরে দুটি শয়নকক্ষ, একটি রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেট-বাথরুম ও সামনে বারান্দাসহ রঙিন টিনের ছাউনি দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া ভূমিহীন গৃহহীন পরিবারের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ এবং পানি সরবরাহের জন্য জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) ব্যবস্থাপনায় প্রতি ১০টি পরিবারের জন্য একটি করে সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপনের কাজ চলছে। নেত্রকোনা সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ এরশাদুল আহমেদ বলেন, সদরের বড়গাড়া এলাকায় ২২ জন, রাজেন্দ্রপুরে ১৪ জন, লক্ষ্মীগঞ্জে চারজন ও ব্যক্তি-উদ্যোগে দান করা জায়গায় তিনজনকে ঘর ও জমি দিয়ে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ৯০ ভাগ কাজ শেষ হয়ে গেছে। প্রতিটি উপজেলায় নিয়মিত নির্মাণকাজ তদারকি করছেন জেলা প্রশাসক কাজি মো. আব্দুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তারা জানান, এ প্রকল্পে ভিক্ষুক, প্রতিবন্ধী, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, প্রবীণ ভূমিহীন ব্যক্তিদের উপকারভোগী হিসেবে বাছাই করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

সর্বশেষ সংবাদ

Recent Comments